গঠনতন্ত্র

                                                                 * একতা                                      ** উদ্ভাবন                                        *** উন্নতি

প্রথম অনুচ্ছেদ: নাম ও ঠিকানা

এই সংগঠনের নাম: Alumni of Marine Sciences Cottogram University, সংক্ষেপে AMSCU নামে পরিচিত হবে।

এই  সংগঠন নিম্ন ঠিকানায় অবস্থিত (ঠিকানা পরিবর্তযোগ্য): সেল সেন্টার, ২৯ পশ্চিম পান্থপথ, বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান রোড, ঢাকা-১২০৫। ফোনঃ ০০৮৮-০২৯১১৫৫৯৪;   ই-মেইলঃ 

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ:-সংগঠনের কার্যএলাকা

এই সংগঠনের কার্য এলাকা হবে সমগ্র বাংলাদেশ।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: মূলনীতি

একতা, উদ্ভাবন ও উন্নতি এই তিনটি মূলনীতির উপর এই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত । এটি একটি অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক, সামাজিক-সংস্কৃতিক কল্যাণমূখী সংগঠন। সংগঠনের সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে শিক্ষা ও সংস্কৃতির যথার্থ বিকাশের মাধ্যমে সুদৃঢ় সামাজিকবন্ধন তৈরী করা এবং আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে সার্বিক জীবনমানের উন্নয়ন ঘটানো এই সংগঠনের উদ্দেশ্য। নিজ প্রচেষ্টায় দরিদ্র ও অশিক্ষিত জনগণের মুখে হাসি ফুটানো, সমাজ থেকে কুসংস্কার ও অসামাজিক কর্মকান্ড চিরকালের জন্য উচ্ছেদ করে একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা  এই সংগঠনের উদ্দেশ্য। জনগণের নিত্য সমস্য সমাধানের জন্য সহযোগিতা করা ,স্বেচ্ছায় জনকল্যাণমূলক কাজ করা সংগঠনের উদ্দেশ্যসমূহের অন্যতম।

জনগণকে শিক্ষার আলোতে আলোকীত করতে সর্বাধিক প্রচেষ্টা, সংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে জনগণের যে কোন সংকটপূর্ণ মুহূর্তে তাদের  পাশে দাঁড়ানো, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবেলা করা এই সংগঠনের অন্যতম উদ্দেশ্য। জনগণের ঐক্য ও সংহতি সুদৃঢ় করার জন্য এই সংগঠনের সদস্যগণ সদা সচেষ্ট। এই সংগঠন দেশের যে কোন রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ডের প্রতি নিরপেক্ষ ভুমিকা পালন করার পাশাপাশি ত্রিশ লক্ষ শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধিনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য যে কোন ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।

চতুর্থ অনুচ্ছেদঃ-আদর্শ ও উদ্দেশ্য

  ক) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক মেরিণ বায়োলজি বিভাগ, ইন্সটিটিউট অব মেরিণ সায়েন্স, বর্তমান ফ্যাকাল্টি অব  মেরিণ সায়েন্স এন্ড ফিশারিজ এর সকল বিভাগ এবং ভবিষ্যতে একইভাবে সৃষ্ট সকল বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনকারী প্রক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের সংগঠিত করে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পর্যায়ে ভালোবাসা ও  সম্পৃতির বন্ধন সৃষ্টি করা;

খ) গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে অভিজ্ঞতা, জ্ঞান, দক্ষতা, অনুভূতি ইত্যাদি আদান প্রদানের মাধ্যমে পারস্পারিক উন্নয়ন সাধন করা;

গ) এলামনাই এবং মূল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করে ঊক্ত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষারত ছাত্র-ছাত্রীদের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা;

ঘ) প্রতি  বছর পাশ করে বেরিয়ে আসা নতুন স্নাতক/স্নাতকোত্তরদের ক্যারিয়ার গঠনে পরামর্শ এবং সহযোগিতা প্রদান করা;

ঙ) সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি, এনজিও এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরি,কনসালট্যান্সি,ব্যবসা কিংবা অন্য কোন সুবিধা প্রাপ্তিতে সর্বাত্নক সহযোগিতা প্রদান করা;

চ) চাঁদা, অনুদান কিংবা অন্য যেকোন বৈধ উপায়ে একটি কল্যাণ তহবিল তৈরি করে অসহায়, অস্বচ্ছল ও জটিল রোগে আক্রান্ত সদস্য ও তাদের পরিবারকে এবং শিক্ষাগ্রহণরত অস্বচ্ছল ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করান;

ছ) সংগঠনের নিজেস্ব ওয়েবসাইট চালু করা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সার্বিক তথ্য আদান প্রদান করা;

জ) সংগঠনের কার্যকরি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সুবিধাজনক সময়ে পুনর্মিলণী, বার্ষিক বনবোজন, আনন্দভ্রমণ, আনন্দ আড্ডা ইত্যাদির আয়োজন করা; 

ঝ) অসহয়, অবহেলিত ও পরনির্ভশীল মানুষের কল্যাণে কার্যক্রম গ্রহণ করা;

ঞ) সংশ্লিষ্ট জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন ও পালন কোরা; 

চ) এলামনাইদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের নীতি নির্ধারকদের সাথে আলোচনা কোরা;

ছ) সর্বোপরি সদস্যদের এবং সমাজের কল্যাণ সাধনে সচেষ্ট হওয়া।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ:- সদস্য হওয়ার যোগ্যতা ও আযোগ্যতা:

ক) যোগ্যতা: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেরিণ বায়োলজি বিভাগ,ইন্সটিটিউট অব মেরিণ সায়েন্স, বর্তমান ফ্যাকাল্টি অব মেরিণ সায়েন্স এন্ড ফিসারিজ এর সকল বিভাগ এবং ভবিষ্যতে একইভাবে সৃষ্ট সকল বিভাগে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি  অর্জনকারী দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থানকারী সবাই এই সংগঠনের সাধারণ সদস্য হতে পারবেন।

খ) অযোগ্যতা:  অনুচ্ছেদ ৫ (ক) তে বর্ণিত কোন ব্যাক্তি ফৌজদারী আদালতের বিচারে ন্যুনতম দুই বছর কারাবরণ করলে, সমাজ বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত ছিল এমন প্রমাণ থাকলে , কোন অফিস আদালত বা প্রতিষ্ঠান থেকে শৃংখলা ভংগের দায়ে বহিষ্কৃত হলে কিংবা কোন অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে যে কোন ফৌজৈদারী আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি এই সংগঠনের সদস্য হইতে পারবেন না।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: সংগঠনের পতাকা ও মনোগ্রম ।

এই সংগঠনের নির্দিষ্ট পতাকা ও মনোগ্রম থাকবে যা আহবায়ক কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হবে।

সপ্তম অনুচ্ছেদ: সদস্য পদের প্রকারবেদ:-

ক) সাধারণ সদস্য:- আহবায়ক/নির্বাহী কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত ভর্তির ফিস ও মাসিক চাঁদা প্রদান করিলেই ৫ নং  অনুচ্ছেদের ধারায় বর্নিত স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনকারীগণ সাধারন সদস্য হতে পারবেন।

খ) আজীবন সদস্য:- প্রতিষ্ঠানের উন্নতিকল্পে এককালীন ২৫০০০/- (পঁচিশ হাজার) টাকা অনুদান প্রদানসাপেক্ষে ১ (এক) বছরের সন্তোষজনক সাধারণ সদস্য পদের গুনাবলীর ভিত্তিতে ক্লাবের নির্বাহী পরিষদ যে কোন সাধারণ সদস্যকে আজীবন সদস্য পদ প্রদান করতে পারবেন।

ঘ উপদেষ্টা সদস্য :- সংগঠনের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে চবি মেরিণ সায়েন্সেস বিষয়ক সকল বিভাগের মধ্য হতে সিনিয়র ১০ (দশ)জন শিক্ষক এবং বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ১০ (দশ) জন সিনিয়র প্রক্তন ছাত্র/ছাত্রী কে প্রতি ২ (দুই) বছরের জন্য সংগঠনের উপদেষ্টা সদস্য হিসেবে মনোনীত করা যাবে।

অষ্টম অনুচ্ছেদ:- সদস্যদের ক্ষমতা, সুযোগ ও সুবিধা

যেহেতু, সাধারণ সদস্যরা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার সর্বময় ক্ষমদার উৎস, সেহেতু তাহারা নির্বাচন/ মনোনয়নের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন  করবেন। তাহারা বার্ষিক সাধারণ সভা, বিশেষ সাধারণ সভা, জরুরী সভা বা তলবী সভায় জরুরি মতামত ব্যক্ত করতে পারবেন এবং যে কোন নীতি নির্ধারণী বিষয়ের উপর ভোট প্রয়োগ করার অধিকার ভোগ করতে পারবেন। তারা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিত সভায় প্রতিষ্ঠানের  আয় ও ব্যায়ের হিসাব পরীক্ষা পূর্বক অনুমোদন করবেন। বার্ষিক বাজেটের উপর আলোচনা ও অনুমোদন করবেন। প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবেন, যাতে প্রতিষ্ঠানের উন্নতি বিধান করা যায়। উপদেষ্টা সদস্য এবং আজীবন সদস্যগণ কার্যনির্বাহক পরিষদের বার্ষিক সাধারণ সভা বা বিশেষ সভা বা জরুরী সভাতে যোগদান করবেন। সভার আলোচ্য সূচীর উপর মতামত ব্যক্ত করবেন। কিন্তু তারা ভোট প্রয়োগ/কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। তবে তাদের মতামতকে কার্যনির্বাহী পরিষদ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন।

নবম অনুচ্ছেদ:- সদস্য পদ বাতিল হওয়া

নিম্নলিখিত কারণে সদস্য পদ বাতিল হইবে:-

ক) কার্যনির্বাহক পরিষদের সদস্য উপযুক্ত কারণ ছাড়া এবং পূর্বাহ্নের নোটিশ ছাড়া পর পর ৫ (পাঁচ) টি সভায় অনুপস্থিত থাকলে। অবশ্য সাধারন সদস্যপদ বহাল থাকবে।

খ) দুর্ব্যবহার এবং  দুশ্চরিত্রতা প্রমানীত হলে;

গ) বার্ষিক দায় পরিশোধে অসমর্থ হলে;

            ঘ) একাধারে ১২ (বার) মাস পর্যন্ত চাঁদা না দিলে;

            ঙ) অসামাজিক ও রাষ্টদ্রোহিতচমূলক কোন কাজ করলে;

            চ) এসব কাজ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে করলে যা সংগঠনের আর্থিক বা সুনামের ক্ষতি করে;

           ছ) প্রতিষ্ঠানের তহবিল কিংবা প্রতারনামূলক কাজ বা সংবিধানের বহির্ভুত অপরাধমূলক কাজ বা ক্ষমতা্র অপপ্রয়োগ করলে;

           জ) মৃত্যু বরণ করলে।

দশম অনুচ্ছেদ:- সাময়িকভাবে সদস্যপদ বাতিল:-

সংগঠন হতে বহিস্কার করার মত কোন একটি অপরাধ সদস্য কর্তৃক সংগঠিত হলে ৯ নং ধারার অবস্থার গুরুত্বের দিকে লক্ষ্য রেখে সভাপতি সদস্যকে ৭ হইতে ১০ দিনের মধ্যে তার কার্যকলাপের সন্তোষজনক জবাব চেয়ে তাকে সাময়িকভাবে বহিস্কার করতে পারবেন। বহিস্কৃত সদস্যের প্রত্যুত্তরে কার্য্যনির্বাহক পরিষদের পরবতী সভায় পেশ করার পর সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে ।

একাদশ অনুচ্ছেদ:- প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক অবয়ব

প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্ব নিম্নলিখিত ৩ টি পরিষদের উপর ন্যস্ত থাকবে।

১. সাধারন পরিষদ।

২. কার্য্যনির্বাহী পরিষদ।

৩. উপদেষ্টা পরিষদ।

(১) সাধারন পরিষদঃ প্রতিষ্ঠানের সকল সাধারণ সদস্যগণ এই পরিষদের অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

(২) কার্য্যনির্বাহক পরিষদ :- এই পরিষদের সদস্য সংখ্যা হবে নিম্নরুপ ২৫ জন।

নং

পদের নাম

সংখ্যা

মন্তব্য

০১

সভাপতি

০১ জন

 

০২

প্রথম সিনিয়র সহ- সভাপতি

০১ জন

 

০৩

দ্বিতীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি

০১ জন

 

০৪

সহ-সভাপতি

০৩ জন

 

০৫

সাধারণ সম্পাদক

০১ জন

 

০৬

সহ-সাধারণ সম্পাদক

০২ জন

 

০৭

কোষাধ্যক্ষ

০১ জন

 

০৮

সাংগঠনিক সম্পাদক

০১ জন

 

০৯

দপ্তর সম্পাদক

০১ জন

 

১০

প্রচার সম্পাদক

০১ জন

 

১১

সাহিত্য সম্পাদক

০১ জন

 

১২

সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক

০১ জন

 

১৩

ক্রীড়া সম্পাদক

০১ জন

 

১৪

শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক

০১ জন

 

১৫

গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক

০১ জন

 

১৬

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক

০১ জন

 

১৭

সমাজ কল্যাণ সম্পাদক

০১ জন

 

১৮

নির্বাহী সদস্য

০৫ জন

 
 

মোট=

২৫ জন

 

কার্য্যনির্বাহক পরিষদের সহযোগী হিসেবে প্রতিটি ব্যাচের একজন প্রতিনিধি থাকবেন। তবে কার্য্যনির্বাহক কমিটির সভায় তাদের উপস্থিতি/অনুপস্তিতি সভার কোরাম পূরণের সাথে সম্পৃক্ত হবে না। তাদের মতামতকে কার্য্যনির্বাহক কমিটি গুরুত্ব প্রদান করবেন।

দ্বাদশ অনুচ্ছেদ:- কার্য্যনির্বাহক পরিষদের কার্য্যাবলী

ক) এই পরিষদ প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক হিসাবে কাজ করবে।

খ) প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্য পরিচালনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব এই পরিষদের উপর ন্যস্ত থাকবে এবং এই পরিষদ কর্তব্য পালনে সাধারণ পরিষদের নিকট দায়ী থাকবে।

গ) বার্ষিক সাধারন সভা/ বিশেষ সাধারন সভা/ তলবী সভার তারিখসমূহ এবং স্থান নির্বাচনের সিন্ধান্ত নেবেন।

ঘ) ইহা প্রতিষ্ঠানের উন্নতি এবং সফলকাম করণার্থে প্রতিষ্ঠানের পক্ষে যাবতীয় কার্য্যাবলী সম্পাদান করবে।

ঘ) সরকারী বা বেসরকারী সম্মেলনে প্রতিনিধি পাঠাইবার জন্য সদস্য মনোনিত করবে।

ঙ) বিশেষ কার্য্য সম্পাদন করার জন্য ইহা উপ-পরিষদ নির্বাচন করবে। সাধারন সম্পাদক পদাধিকার বলে উক্ত উপ-পরিষদের সদস্য থাকবে।

চ) নব নির্বাচিত/ মনোনীত পরিষদের নিকট পূর্ববর্তী পরিষদ নির্বাচনের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে পরিষদের যাবতীয় কার্য্যাবলী বুঝিয়ে দিতে বাধ্য থাকবে। এর ব্যাতিক্রম হলে নব নির্বাচিত সভাপতি অর্জিত অধিকার বলে সাধারন পরিষদের নিকট বিদায়ী পরিষদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদন করবে। এছাড়াও সমস্যা সমাধান না হলে বিদায়ী পরিষদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচালিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা করবেন।

ত্রয়োদশ অনুচ্ছেদঃ- সভাপতির কার্য্যাবলীঃ-

ক) প্রতিষ্ঠানের সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

খ) কোন বিশেষ সভার আয়োজন করার প্রয়োজন মনে করলে সভা আহবায়নের জন্য সাধারণ সম্পাদক কে লিখিত অনুরোধ করবেন।

গ) বিতর্কিত বিষয়ে সমাধানের উদ্দেশ্যে ভোটের আহবান করবেন।

ঘ) প্রত্যেক সভার কার্য্যবিবরণীসমূহ অনুমোদন করবেন।

ঙ) সাধারন সম্পাদক/কোষাধ্যক্ষ কর্তৃক সম্পাদিত খরচের বিল বা ভাউচার পাশ করবেন।

১৪ নং অনুচ্ছেদঃ- সিনিয় সহ- সভাপতি/ সহ- সভাপতিগণের কার্য্যাবলীঃ-

সভাপতির অনুপস্থিতে সিনিয়রিটি অনুযায়ী সভাপতির উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবে্ন।

১৫ নং অনুচ্ছেদঃ- সাধারন সম্পাদকের কার্য্যাবলীঃ-

ক) সভাপতির নামে প্রতিষ্ঠানের সভা আহবান করবেন।

খ) প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় হিসাব ও কাগজপত্র রক্ষাণাবেক্ষণ করবেন।

গ) প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রয়োজনীয় কাগজ/ দলিল ইত্যাদি সম্পাদন করবেন।

ঘ) সাধারন সভা/ জরুরী সভা/ বিশেষ সভা/ তলবী সভা/ কার্য্যনিবাহক পরিষদের সভায় গৃহীত সকল সিদ্ধান্ত যথাযথ বাস্তবায়ন সহ প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্য্যাদির জন্য দায়ী থাকবেন।

ঙ) প্রতিষ্ঠানের সকল সাজ সরাঞ্জমাদি কাগজ পত্র ইত্যাদি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দায়ী থাকবেন।

চ) ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকার উর্ধ্বে সকল প্রকার খরচের জন্য কার্য্যনির্বাহক পরিষদের অনুমোদন অবশ্যই নিতে হবে।

ছ) আদায়কৃত টাকা, সাহায্য, দান, সরকারী ও আন্তর্জাতিক বা অন্য যে কোন খাতে আগত টাকা কোষাধ্যক্ষের কাছে দেবেন।

১৬ নং অনুচ্ছেদঃ- সহ- সাধারন সম্পাদকের কার্য্যাবলীঃ-

ক) সাধারন সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে সাধারন সম্পাদকের উপর ন্যস্ত সভা ও দায়িত্ব পালন করবেন।

১৭ নং অনুচ্ছেদঃ- কোষাধ্যক্ষের কার্য্যাবলী

ক) প্রতিষ্ঠানের তহবিলের অভিভাবক থাকবেন।

খ) সাধারন সম্পাদকের সাথে যুগ্মভাবে প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক একাউন্ট পরিচলনা করবেন।

গ) সাধারন সম্পাদক বা সভাপতির দ্বারা অনুমোদিত সর্ব প্রকার বিল পরিশোধ করবেন; যাবতীয় হিসাব নিয়মিত ভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।

ঘ) প্রতিষ্ঠানের তহবিল বই রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।

ঙ) তিনি কোন অবস্থাতেই ১০,০০০/= (দশ হাজার) টাকার বেশী হাতে রাখতে পারবেন না। অতিরিক্ত টাকা অবশ্যই ব্যাংকে জমা রাখবেন।

১৭ (ক) নং অনুচ্ছেদঃ- অন্যান্য সম্পাদকদের কার্যাবলী

অন্যন্য সম্পাদকগণ নির্বাহী পরিষদ/সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের দায়িত্ব পালন করবেন।

১৮নং অনুচ্ছেদঃ- নির্বাচনঃ

ক) সংখ্যা গরিষ্ট সাধারণ সদস্যদের ভোটে দুই বৎসরের জন্য কার্য্যনির্বাহক পরিষদ নির্বাচিত হবেন।

খ) মেয়াদ শেষ হবার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে। 

গ) যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব না হয় তবে সাধারন পরিষদ ২ (দুই) মাসের জন্য কার্য্যনির্বাহক পরিষদের মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারেন। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে তলবী সভার মাধ্যমে একটি এডহক কমিটি গঠন করতে হবে। এডহক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে গঠন্তন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। এডহক কমিটি নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজনে ব্যর্থ হলে উপদেষ্টা পরিষদ সভা করে দুই-তৃতীয়াংশ উপদেষ্টার মতামতের ভিত্তিতে পুনরায় নূতন এডহক কমিটি গঠন করতে পারবেন, যারা দায়িত্ব গ্রহণের ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন।

ঘ) নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে ও নিরপেক্ষ পরিচালনার জন্য কার্য্যনির্বাহক পরিষদ এক জন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও ৩ (তিন) জন নির্বাচন কমিশনার  নিয়োগ করবেন যারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটের আয়োজন করবেন। নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকারী কমিশনারগণ নির্বাহী পরিষদের কোন পদে প্রতিদ্বন্দিতা করতে পারবেন না।

ঙ) রাষ্ট্রে প্রচলিত ভোট গ্রহণ পদ্ধতিতে/ গ্রহণযোগ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে।

১৯ নং অনুচ্ছেদঃ- মনোনয়ন বা ঐচ্ছিকভাবে পদ পূরন করাঃ-

কোন কারনবশতঃ যদি কার্য্যনির্বাহক পরিষদের কোন পদ শূণ্য হয়, যেমনঃ ইস্তফা, মৃত্যু, সদস্য পদ বাতিল ইত্যাদি করণে- তবে কার্যনির্বাহক পরিষদ  সাধারন সদস্য হতে যে কোন সদস্যকে ঐ খালী পদে মনোনীত করতে পারবেন।

২০ নং অনুচ্ছেদ :- সভা

নিয়মিত সভাঃ 

কার্য্যনির্বাহক পরিষদের সভা অন্তত পক্ষে প্রতি ৪ (চার) মাসে ৭ (সাত) দিনের নোটিশে একবার অনুষ্ঠিত হবে।

সাধারণ সভাঃ-

 বৎসরে কমপক্ষে ০১ (এক) বার ১৫ দিনের নোটিশে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় কমপক্ষে প্রতিষ্ঠানের মোট সদস্য সংখ্যার অর্ধেক সদস্য উপস্থিত থাকলে কোরাম পূর্ণ হবে। সভায়  অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক প্রতিষ্ঠানের পূর্ববর্তী বছরে গৃহীত কার্যাবলী অনুমোদনসহ কোষাধ্যক্ষ কর্তৃক আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনা ও অনুমোদন করা হবে।

জরুরী সভাঃ-

 বিশেষ প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সাধারন সম্পাদক প্রতিষ্ঠানের জরুরী সভা আহবান করবে। সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে মাত্র ২৪ ঘন্টার নোটশে এই সভা করা যাবে।

তলবী সভাঃ– 

সাধারন সম্পাদক কর্তৃক একাধারে ৯ (নয়) মাস পর্যন্ত  নির্বাহী পরিষদের নিয়মিত সভা আহবান না করা হলে কিংবা নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর সংগঠনের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য এর লিখিত অনুরোধে যদি সাধারণ সম্পাদক উপযুক্ত কারন দর্শানো ব্যতীত ৭ (সাত) দিনের মধ্যে  সভা আহবান না করেন (অনুরোধ তারিখ হতে); এমতাবস্থায় সভাপতি তলবী সভা আহবান করবেন। সভায় যে সকল প্রস্তাব অনুমোদন করা হবে তা সকল সদস্য গ্রহণে বাধ্য থাকিবেন। যদি সভাপতিকে সভা আহবানে অপেক্ষা করতে দেখা যায়, তাহলে যে কোন ৫ জন সদস্য উদ্যোগী হয়ে সভা আহবান করবেন এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তাবলী পেশ করবেন। কার্য্যনির্বাহী পরিষদ কার্যকরী করিতে বাধ্য থাকিবেন। সভায় মোট সদস্য দুই তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত থাকতে হবে।

২১ নং অনুচ্ছেদঃ- সভার কোরামঃ-

ক) এক তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে নির্বাহী পরিষদের সভার কোরাম হবে; 

খ) মোট এক তৃতীয়াংশ সদস্য উপস্থিত থাকলে বার্ষিক সাধারণ সভা ও জরুরী সভার কোরাম হবে;

গ) মোট সদস্য সংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে তলবী সভার কোরাম হবে।

২২ নং অনুচ্ছেদঃ- প্রতিষ্ঠানের আয় ও ব্যায়ঃ- 

সদস্যদের ভর্তির ফিস, মাসিক চাঁদা, এককালীন দান এবং সরকারী, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারী সাহায্য, প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পসমূহ হতে যে আয় হবে তা থেকে প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের দিকে রেখে কার্য্যনির্বাহক পরিষদ প্রয়োজনীয় ব্যয় করবেন।

২৩ নং অনুচ্ছেদঃ প্রতিষ্ঠানের তহবিলঃ

ক) প্রতিষ্ঠানের কেবল একটি ব্যাংক হিসাব থাকবে যা সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে; তবে উদ্বৃত্ত অর্থ নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এফডিআর করা যাবে।

 খ) কোষাধ্যক্ষ কর্তৃক প্রতিষ্ঠানের চাঁদা ইত্যাদি আদায়ের এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক একাউন্টে জমা দিতে হবে।

২৪ নং অনুচ্ছেদঃ হতবিলের হিসাব পরীক্ষা

ক) নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক কমপক্ষে ৩ জন হিসাব পরীক্ষক দ্বারা বছরে অন্তত একবার প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তহবিলসমূহের হিসাব পরীক্ষা করাতে হবে। 

খ) হিসাব পরীক্ষনের রিপোর্ট সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক  বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থাপন ও অনুমোদন করতে হবে। তবে সাধারণ পরিষদ মনে করলে প্রতিষ্ঠিত কোন অডিট ফার্ম কে দিয়ে অডিট করতে পারবে।

২৫ নং অনুচ্ছেদঃ- বহিস্কার

যদি কোন সদস্য অথবা অফিস কর্মকর্তার কাজ কর্ম প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর হয় তাহলে কার্য্যানির্বাহী পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে উক্ত সদস্যকে বা অফিস কর্মকর্তাকে প্রতিষ্ঠানের সদস্য পদ হতে বা অফিস পদ হতে বহিস্কার করা যাবে। অবশ্য সংশ্লিষ্টি সদস্যকে স্বীয় কর্মের  সমর্থনে কৈফিয়ৎ দেয়ার সুযোগ দিতে হবে।

২৬নং অনুচ্ছেদঃ প্রতিষ্ঠানের নাম পরির্তন

বিশেষ সাধারণ সভায় বা বার্ষিক সাধারণ সভায় দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য এর ভোটের মাধ্যমে অনুমোদসাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করা যেতে পারে।

২৭ নং অনুচ্ছেদ :- সংবিধানের সংশোধন

বিশেষ সাধারণ সভায় বা বার্ষিক সাধারণ সভায় দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য এর ভোটের মাধ্যমে অনুমোদনসাপেক্ষে প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্রের যে কোন ধারার পরিবর্তন করা যেতে পারে।

২৮ নং অনুচ্ছেদঃ- প্রতিষ্ঠানের বিলোপ সাধন

 যদি কখনো কোন কারণবশতঃ এই প্রতিষ্ঠানের বিলুপ্তি ঘটে তবে তিন-পঞ্চমাংশ সদস্য লিখিতভাবে কার্য্যাকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করতে হবে। এ ব্যাপারে রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে এই সংগঠনের স্থাবর সম্পত্তি ও অস্থাবর মালামাল সংশ্লিষ্ট ফ্যাকাল্টি কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করিতে বাধ্য থাকিবে।

=========